মুভি রিভিউ, মুভি নিউজ আপডেট চ্যানেল।
Last updated 1 year, 11 months ago
Journalist Sorwar Alam's official Telegram channel.
YouTube.com/SorwarAlam
fb.com/BanglaSAT
twitter.com/Sorwar_Alam
Last updated 2 months, 1 week ago
ডেইলি চাকরীর খবর, সিলেবাস, বিগত প্রশ্ন:
www.gktodaybengali.in
Last updated 3 weeks, 1 day ago
❝ আপনার সন্তানকে মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তুলুন ❞
— শাইখ যুবাইর আল-হাসান হাফিজাহুল্লাহ
মায়ের দোয়ায় কি না হয়!
━━━━━━ • ✿ • ━━━━━━
একদা হযরত মুসা আলাইহিস্ সালামের অন্তরে এ আকাংখা তীব্র হয়ে উঠলো যে, তাঁর সাথে যিনি জান্নাতে থাকবেন তাঁকে যেন তিনি দেখতে পান। সুতরাং তিনি এ মর্মে আল্লাহ তা'আলার দরবারে প্রার্থনা করে বললেন 'হে খোদা! আমি ঐ ব্যক্তিকে দেখতে চাই, যে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে'। আল্লাহ তা'আলা তাঁকে বললেন, হে মূসা! তুমি অমুক জায়গায় চলে যাও। সেখানে এক কসাই আছে সে-ই তোমার সাথে জান্নাতে থাকবে।
মূসা (আঃ) বড়ই আশ্চর্য হলেন। ভাবলেন, কসাই বেচারা এমন কি আমল করে যার বদলে সে আমার সাথে জান্নাতে থাকার সৌভাগ্য লাভ করেছে! তাঁর মনে বিরাট কৌতূহল জাগলো। তাই তিনি কসাইর খোঁজে বাড়ী থেকে বেরিয়ে পড়লেন এবং অনেক তালাশ করে তাঁর দোকানে গিয়ে পৌঁছলেন। তিনি কসাইর নিকট স্বীয় পরিচয় না দিয়ে দিনভর কসাইর যাবতীয় কাজকর্ম গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন।
এভাবে সারাদিন চলে গেল। কিন্তু হযরত মূসা (আঃ) কসাইর মধ্যে এমন কোন অতিরিক্ত আমল দেখলেন না যার কারণে সে এত বড় মর্যাদা লাভ করতে পারে।
সন্ধ্যা হতেই কসাই বেচারা বাড়ীর দিকে রওয়ানা হল। হযরত মূসা (আঃ)ও তাঁর পিছনে পিছনে রওয়ানা হলেন। উদ্দেশ্য হল কসাইর সেই বিশেষ আমল সম্পর্কে অবগত হওয়া। কসাই ঘরে পৌঁছে স্বীয় বিবি ও সন্তান-সন্ততির সাথে কথা বলার পূর্বেই বৃদ্ধ মায়ের সেবা-যত্ম শুরু করে দিল। প্রথমে সে তার হাত মুখ ধুয়ে দিল তারপর চামচ দিয়ে মার মুখে খাবার তুলে দিতে লাগল।
হযরত মূসা (আঃ) কসাইকে জিজ্ঞাসা করলেন, এই বৃদ্ধা কে? কসাই জবাব দিল, ইনি আমার সম্মানিত আম্মাজান।"
এদিকে বৃদ্ধা খানা খাওয়া শেষ করেই হাত উঠিয়ে কায়মনোবাক্যে খোদার দরবারে দোয়া করতে লাগলো, "হে আল্লাহ! আমার এই ছেলেকে তুমি দুনিয়াতে শান্তিতে রেখো এবং আখেরাতে হযরত মূসা (আঃ)-এর সাথে জান্নাতে স্থান দিও।"
হযরত মূসা (আঃ) কসাইকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার মা তোমার জন্য যে দোয়া করেন, তা কি কবুল হয়? কসাই জবাবে বলল, আমার তো মনে হয় আমার মা আমার জন্য যে দোয়া করেন তার এক অংশ কবুল হয়েছে। কেননা আল্লাহ তা'য়ালা দুনিয়াতে আমাকে সব ধরণের সুখ দিয়েছেন এবং মহাশান্তিতে রেখেছেন। আর দোয়ার দ্বিতীয় অংশ কবুল হয়েছে কি-না জানিনা। কারণ-আমার জানা নেই যে, জান্নাতে হযরত মূসা (আঃ) এর সাথে আমার স্থান হবে কি-না।
হযরত মূসা আলাইহিস সালাম বললেন, হে পূণ্যবান ভাই! খুশি হও এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর- আমিই মূসা (আঃ)। আল্লাহ তায়ালা তোমার মায়ের দোয়ার দ্বিতীয় অংশও কবুল করেছেন। জান্নাতে তুমি আমার সাথেই স্থান পাবে।
প্রিয় পাঠকবৃন্দ, উল্লেখিত ঘটনা পাঠ করে এখন থেকেই আমরা এই প্রতিজ্ঞা করে নিতে পারি যে, আমরা সর্বদা পিতা-মাতার সেবা করব। তাদের মুখে হাসি ফুটাব। কখনো তাদেরকে কষ্ট দিব না। তাঁদের প্রতিটি কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবো। এতে তারা আমাদের প্রতি খুশি হয়ে হয়তো আল্লাহর দরবারে দোয়া করবেন। হতে পারে তাদের এ দোয়াই আমাদের নাজাতের ওসীলা হবে এবং আমরা জান্নাতের উঁচু মাকাম লাভ করতে পারব।
:) যে গল্পে হৃদয় গলে-১
কত বাবা-মা সন্তানকে দুনিয়াতে সম্মানিত ও আখিরাতে জাহান্নামি করতে কষ্ট করেন!
এটাই বাস্তব! এখন খুব অল্প সংখ্যক পরিবারে এমন কথা হয় যে "আমরা একসাথে জান্নাতে যেতে চাই"। সবাই এখন শুধু দুনিয়া চায়; দুনিয়াকে রঙিন করে উপস্থাপন করা হয়। হালাল-হারাম এর তোয়াক্কা নাই! ছেলের পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টের জন্য নামাজ, তাহাজ্জুদ বাদ দিচ্ছে না। এদিকে ছেলের নামাজের ব্যাপারে পুরোপুরি উদাসীন...আফসোস!
©Lost Pearl
বাচ্চাদের গল্প লেখার কাজটা আমি খুবই প্যাশনের সাথে করি। প্রতিটা শব্দ, লাইন, ছন্দ, কথা অনেকবার পড়ি, অনেকভাবে সাজাই। অনেক কিছু ভেবে তারপর সহজ ভাবে লেখার চেষ্টা করি। যেমন - তিন বন্ধু গল্পটা যখন লিখছি, তখন মাথার ভেতরে চলছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বর্ণিত হাদীসের সেই তিন ব্যক্তির কথা, যারা গুহায় আটকা পড়ে। এরপর নিজেদের ভালো কাজের বিবরণ দিয়ে দুয়া করায় গুহার মুখ থেকে পাথর সরে যায়। মিরাকুলাস ঘটনা। পরতে পরতে শিক্ষা। আমি ভাবছি, বাচ্চাদেরকে ভালো কাজের এত গুরুত্ব, এত পাওয়ার কীভাবে বোঝাই, কীভাবে? এই ভাবতে ভাবতে ভালুক, ইঁদুর আর খরগোশের গল্পটা লিখে ফেললাম। এমনভাবে লিখলাম যেন চার-পাঁচ বছরের বাচ্চারাও গল্পটা শুনলে বোঝে। এই গল্প পড়ে বাচ্চারা হাদীস শিখবে না, কিন্তু হাদীসের যে শিক্ষাটা, সেটা শিখবে।
আমাকে যারা মোটামুটি চেনেন কিংবা ফেসবুকে পরিচিত, তারা হয়ত খেয়াল করেছেন, নিজের বইটইয়ের ব্যাপারে মার্কেটিং করতে আমি বেশ অপটু। আমার টুকটাক লেখা কোনো সংকলনে গেলে আমি সেটার ব্যাপারে একাধিক পোস্ট দিতে লজ্জা পাই৷ এটা অবশ্য কোনো কাজের কথা না। বাচ্চাদের বইগুলির ক্ষেত্রেও, ঠিক যতটা প্যাশন কাজ করে গল্পটা লেখার ক্ষেত্রে, তারচেয়েও বেশি অস্বস্তি কাজ করে এগুলো নিয়ে পোস্ট দিতে। যদিও আমি মনে মনে খুব করে চাই বইগুলি বাচ্চাদের হাতে হাতে পৌঁছে যাক। কেননা আমি দৃঢ় বিশ্বাস রাখি, এ বইগুলো এখনকার মডার্ন যেসব চিল্ড্রেনস লিটরেচার আছে, সেগুলোর বদলে মাচ বেটার অল্টারনেটিভ হবে ইনশাআল্লাহ।
মাঝে মাঝে স্প্যাম ফোল্ডারে গল্পগুলো নিয়ে এ ধরণের রিভিউ পাই। একেবারেই আননোন সোর্স থেকে৷ কোনোরকম মার্কেটিং ছাড়াই যে এ বইগুলো বাজারে চলছে এবং অনেকে উপকৃতও হচ্ছেন, এই বিষয়টা একইসাথে স্বস্তি এবং অনুপ্রেরণা দেয়। বিশেষ করে যখন একেবারেই অপরিচিত কেউ হুট করে বলেন, তার বাচ্চারা গল্পগুলো মজা করে শোনে, খুব পছন্দ করে, এবং বারবার শুনতে চায়, তখন আমার কী যে আনন্দ হয় বোঝাতে পারব না। নিচের রিভিউ দেয়া বোনের বাবুটার কিউট জাযাকাল্লাহ খায়ের এখনও আমার কানে বাজছে।
Bookmark Publication থেকে মাসালা, ভয়ংকর ডাইনোসর, এবং তিন বন্ধুর গল্প বইগুলো রিপ্রিন্ট করা হয়েছে বেশ অনেকদিন পর। আগে থেকে জানলে হয়ত টাইপিং এররগুলো ঠিকঠাক করে দিতাম। বইগুলো যারা এতদিন খুঁজেছেন, সংগ্রহ করতে চেয়েছেন, তারা এখন থেকে বইগুলো আবারও পাবেন ইনশাআল্লাহ। পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
বাবা -মা হিসাবে সন্তানের জন্য এই জীবনে সবচেয়ে বড় গিফট কি ?
আজ সকালে বড় মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলাম। আমি ড্রাইভিং সিটে বসে আছি। মেয়ে আর তার বান্ধবী পিছনের সিটে। সিগন্যাল দেখে কিছু সময়ের জন্য আমরা একটু থামলাম ।
আমি তাদের দুজনকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলাম।
আমি বললাম ,
"Tell me baba , what is the greatest gift parents can give to their children? "
প্রশ্ন শুনে আমার মেয়ে মোটেই অবাক হয়নি। কারন সে জানে আমি প্রায়শঃ এই সব জীবন দর্শন টাইপের প্রশ্ন করি। মেয়ের সাথে সিরিয়াস আলাপ ও গল্প করি।
মেয়ে একটু ভেবে আমাকে বললো ,
"আই ডোন্ট নো বাবা , কি হতে পারে আমি ঠিক ভালো করে বলতে পারবো না। "
আমি বললাম,
-অসুবিধা নেই , একটু গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখো , তুমি সন্তান হিসাবে , এই জীবনে আমার মত একজন বাবার কাছ থেকে সবচেয়ে মূল্যবান কি গিফট আসা করতে পারো ?
ভেবে দেখো।
মেয়ে এবং তার ফ্রেন্ড দুজনে আগে একটু আলোচনা করলো
কিন্তু ভালো কোন উত্তর খুঁজে পেলো না।
আমি বললাম, "ঠিক আছে তোমাদের যা কিছু মনে আসছে তাই বলো।
একজন বললো ,
বাবা- মা হিসাবে সন্তানদের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান গিফট হলো , "ভালো জ্ঞান"
ভালো ও সঠিক জ্ঞান তাদের জীবনে অনেক উপকারে আসবে।
তারপর আরো কিছু বিষয় বললো ,
যেমন ,
"ভালোবাসা ", বাবা মায়ের অনেক আদর , সুন্দর ও আরাম দায়ক লাইফ স্টাইল , একটা বাড়ি , থাকার জন্য ঘর , এক মিলিয়ন ডলার, পৃথিবী ভ্রমণের জন্য খরচ।
এইসব ছিলো তাদের আজকের উত্তর।
ক্লাস টেনে পড়া একটা মেয়ের জন্য এর বেশি কিছু হয়তো মনে আসেনি।
একসময় যখন আমি নিজে সন্তান ছিলাম তখনকার ভাবনা চিন্তার সাথে এখনকার চিন্তা ভাবনার অনেক মিল নেই।
যখন বাবা -মা জীবিত ছিলেন তখন জীবনকে যেভাবে ভেবেছি এখন আর সেই রকম নেই।
বাবা আর নেই বলেই এখন আমি ভাবতে পারি , এই পৃথিবীতে বাবা আমার জন্য কি রেখে গিয়েছেন ?
বাবা যখন জীবিত ছিলেন তখন এই বিষয়টা ভাবার কোন উপায় ছিলো না।
বয়স ও সময়ের সাথে সাথে মানুষ অনেক কিছু নতুন করে জানতে পারে।
এই বয়সে এখন যা কিছু সত্য বলে মনে করছি , যদি বেঁচে থাকি শেষ বয়সে হয়তো এইসব অনেক কিছুই মিথ্যা বলে মনে হবে।
প্রশ্নের উত্তরটা আমি কি দিয়েছি সেটা পরে বলছি।
তার আগে কিছু কথা বলে নেই।
বাবা-মা হিসাবে আমাদের জীবনের একটা বড় সময় কেটে যায় সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে। আমরা তাদের পড়াশুনার জন্য অনেক বকা ঝকা করি। এমনকি অনেক বাবা-মা লাঠি দিয়ে মারতেও দ্বিধা করে না। ভালো স্কুল -কলেজে ভর্তি হতে না পারলে অনেক মন খারাপ হয়।পরীক্ষা ফেল করলে ভীষণ হতাশা গ্রস্থ হতে হয়। ব্যর্থতার কারন নিয়ে বাবা-মা ঝগড়া করে। মা দেখাশুনা করে রাখেনি বলে মাকে দোষ দেয়া হয়। ছেলেকে জন্মদিনে দামি নতুন আইফোন কিনে দেই। মেয়ের বিয়েতে অনেক দামি গয়না অর্ডার করি। ছেলেকে বিয়ে করাই। ছেলের বউকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিত্য নতুন কৌশল চিন্তা করি।মেয়ের জামাই কথা শুনে না বলে আক্ষেপ করি। আবার নিজের এবং সন্তানদের জন্য সম্পদ করার চেষ্টা করি। টাকার জন্য , একটু বেশি আয়ের জন্য দিন রাত ছুটে বেড়াই। নতুন ফ্ল্যাট কিনি কিংবা বাড়ি বানাই। শেয়ার মার্কেটে ইনভেস্ট করি। মেয়ের নামে ব্যংক ডিপোজিট করি। এইসব নিয়ে নিত্যদিন বাসায় আলোচনা করি। কাজ থেকে দেরি করে ফিরলে ঝগড়া করি। ব্যবসায় লস হলে মন খারাপ করি।
এইসব করে করে এক সময় বাবা -মা মরে যায়।
মরে যাওয়ার পর বাবা -মা একটা সময় সন্তানদের কাছে শুধুই স্মৃতি হয়ে যায়।
এখন প্রশ্ন হলো ,
এই বাবা -মা তার নিজের সন্তানদের জন্য আসলে কি রেখে যায় ?
এই বিষয়টি নিয়ে খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন, Thich Nhat Hanh । তিনি একজন ভিয়েতনামি লেখক ও দার্শনিক।
Thich Nhat বলেছেন ,
"The greatest gift parents can give to their children is their own happiness "
এই জীবনে সন্তানদের জন্য, সবচেয়ে বড় গিফট হলো , বাবা-মায়ের নিজের সুখ।
গভীর প্রেম ও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ, অনেক হাসি -খুশি একটা সুখী দম্পতি নিজেই তাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় ও মূল্যবান গিফট।
এই সুখ দেখে যে সন্তান বড় হয় , তার আর কিছুই প্রয়োজন হয়না।
"হ্যাপিনেস, দি গিফট "
-ডা.শামছুল আলম
আমার পাশের বিল্ডিং এ একটা পিচ্চি থাকে, আমার রুমের জানালা খুললেই তার রুম দেখা যায়। একদিন সে তার জানালা খুলে ডাকাডাকি শুরু করলো! বললো 'এই তুমি কি এই বাসাতেই থাকো? আমার বন্ধু হবা?'
তার কথা শুনে থতমত খেয়ে গেলাম।
পিচ্চি মানুষ দেখে নিজেকে সামলে নিয়ে কথা বললাম তার সাথে।জানালো সে ক্লাস ওয়ানে পড়ে, তার আব্বু আম্মু দুজনেই জব করে। তার স্কুলে কোনো ফ্রেন্ড নাই আর তার আম্মু কারো সাথে তাকে মিশতে দেয়না। বাসায় তার দাদা দাদু আছে, তারাও ওর সাথে কথা বলেনা খুব একটা।
জানালা দিয়েই তার সাথে কথা হলো কতোক্ষন৷ এরপর দুইদিন আর কথা হয়নাই।
আমি রুমের জানালা খুলে নিজের মতো মোবাইল টিপতেছি, দেখি যে এই কাগজ গুলা! সে ওই বাসা থেকে কাগজে এইসব লিখে আবার আমাকে পাঠাচ্ছে, তার জানালা থেকে আমার জানালার দূরত্ব ৫-৬ হাত হবে, সে একটু পর পর একেকটা কাগজ পাঠাচ্ছিলো। আমি এইসব পড়ে জানালায় দাঁড়ালাম৷ সে বললো 'এই কথা বলবা আমার সাথে? আমার সাথে কেউ মিশে না! কেউ কথা বলেনা! আমার কোনো বন্ধু নাই। তুমি তো বন্ধু। কথা বলবা আমার সাথে?'
এইসব শুনে বাচ্চাটার জন্য আমার এতো খারাপ লাগলো! এইটুকু একটা বাচ্চা, তার মা বাবা নিজেদের ব্যস্ততার জন্য তাকে সময় দিচ্ছেনা, বাসার মানুষ তার সাথে কথা বলেনা, স্কুলে কেউ নাই, অন্য কারো সাথেই তার কথা হয়না। আমি একদিন কথা বলাতেই সে এতো খুশি হয়েছিলো যে আবার কথা বলার জন্য পাগলামি করতেছিলো!
এইটুকু বাচ্চার সাথে কথা বলার কেউ নাই! ভাবা যায়?
আপনারা আপনাদের বাসার বাচ্চা কাচ্চা গুলারে একটু টাইম দিয়েন প্লিজ, তারা যাতে কখনো 'আমার কেউ নাই' বা 'আমার সাথে কেউ কথা বলতে চায় না' টাইপের জিনিস মাথায় না আনে! তাদের কে একটু টাইম দিয়েন প্লিজ!
স্বামী স্ত্রী-সন্তানের অভিভাবক
━━━━━━ • ✿ • ━━━━━━
والرجل راع على اهل بيته
অর্থাৎ, পুরুষ তার স্ত্রী ও সন্তানদের অভিভাবক। স্বামীর ঘরে অধীনস্থ তার স্ত্রী ও সন্তানদের সকল বিষয়ে সে-ই দায়িত্বশীল। এবং প্রতিটি পুরুষকেই তার এই অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাকে হাশরের দিন এসব সম্পর্কে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তাকে অবশ্যই প্রশ্ন করা হবে, তোমাকে যে পরিবারের কর্তা ও অভিভাবক নির্বাচন করা হয়েছিল তুমি সে পরিবারের সদস্যদের সাথে কেমন আচরণ করেছিলে? তাদের প্রতি তোমার কি দায়িত্ব ছিল এবং তা তুমি কিভাবে আদায় করেছিলে? তারা যেন দ্বীনের উপর চলে এ বিষয়ের প্রতি কি তুমি লক্ষ্য রেখেছিলে? তোমার অধীনস্থরা আবার জাহান্নামে যাচ্ছে নাতো? এসব দায়িত্ব তুমি পালন করেছ তো, এসব কথা কি তোমার মনে ছিল? কেয়ামতের দিন পুরুষকে এ সকল বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে। এ মর্মে কুরআন শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا قُوْۤا اَنْفُسَكُمْ وَاَهْلِيْكُمْ نَارًا ●
سورة التحريم : (٦)
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে (জাহান্নামের) আগুন থেকে বাঁচাও!"
অর্থাৎ, তুমি নিজে শুধু জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে যাবে, নিজে নামায পড়বে, রোযা রাখবে, ফরয, ওয়াজিব, নফল সব কিছুই আদায় করবে অথচ ছেলে-সন্তানরা অন্যায় পথে পরিচালিত হবে, এদের কোন ভাবনাই নেই, এটা ঠিক নয়। এমনটি করলে কেয়ামতের দিন জবাবদিহি করা যাবে না। বরং দায়িত্ব আদায় না করার কারণে শাস্তিভোগ করতে হবে। যে কারণে পুরুষকে তার ঘরের অভিভাবক বলা হয়েছে। আর স্ত্রীকে বলা হয়েছে- 'স্ত্রী' স্বামীর ঘর-সংসারের অভিভাবক।
المرأة راعية على بيت زوجها و ولده -
'এবং স্ত্রী তার স্বামীর ঘর-সংসার ও তার সন্তানদের অভিভাবক।' অর্থাৎ দুইটি বিষয়ের দেখা-শোনার দায়িত্ব স্ত্রীকে দেয়া হয়েছে। এক. স্বামীর ঘর-সংসার। দুই. ছেলে সন্তান। দ্বীন এবং দুনিয়া উভয় দিক থেকেই ঘর-সংসার এবং ছেলে সন্তানের দেখা-শোনা করার দায়িত্ব স্ত্রীর। স্ত্রীর এই পবিত্র কর্তব্যের কথাই বক্ষমান হাদীসটিতে বলা হয়েছে।
? আদর্শ দাম্পত্য জীবন | পৃষ্ঠা-৫১
আমাদের দুই ছেলের সাথে ওদের বাবা ভয়ংকর ভাবে খেলাধুলা করে। ভয়ংকর বললাম কারণ মা হিসেবে সেগুলো হজম করা কঠিন। খেলার ছলে করা ওদের কাজগুলো বেশ মারাত্মক, দেখেই ভয় লাগে। বাচ্চারা ওদের বাবার সাথে লাফালাফি, মারামারি, হাতাহাতি করে, কখনও কখনও ওরা ব্যথাও পেয়ে যায়। আমি প্রথম প্রথম মানা করতাম, কিন্তু আস্তে আস্তে খেয়াল করলাম বাচ্চারা এই বিষয়টা খুবই উপভোগ করে। এমনকি কিছুদিন যদি ব্যস্ততা বা অসুস্থতার কারণে ওদের বাবা মারামারি করতে না পারে, তাহলে ওদের মন খারাপ হয়ে যায়।
বাচ্চাদের সাথে মায়েদের যেমন বিশেষ একটা সম্পর্ক থাকে, তেমন বাবাদেরও আলাদা একটা স্থান থাকে। বাবা এবং মায়ের ভূমিকা কখনোই এক না। দুজনের ভূমিকা আলাদা এবং পরিপূরক। আমি সময় পেলেই বাচ্চাদের নিয়ে বিভিন্ন আর্টস এবং ক্র্যাফট অ্যাক্টিভিটিস করি। এসব কাজের ক্ষেত্রে দরকার মনোযোগ, সূক্ষ্ম অবজারভেশন স্কিল, ধৈর্য্য ইত্যাদি। ওদেরকে প্রথমেই গোল করে একটা ম্যাটের ওপর বসাই। এরপর এক এক করে সব জিনিস সাজিয়ে-গুছিয়ে কাজ শুরু করি। বেশ অনেকটা সময় নিয়ে এক একটা জিনিস বানাই। এগুলি পেয়ে বাচ্চারা খুব খুশি হয়। হাতে করে ঘুরে সারাদিন।
আবার ওদের বাবা ওদের সাথে ফিজিকালি অনেক অ্যাক্টিভ থাকে। যেটা মা হিসেবে আমার পক্ষে করা অনেকটাই ইমপ্র্যাক্টিকাল। মারামারি, ধস্তাধস্তি, ওদেরকে পিঠের উপর তুলে ফেলা, শূন্যে নিয়ে উল্টো করে ধরে রাখা, কার বেশি শক্তি, কে কাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিতে পারে এগুলো ওদের খেলাধুলার উদাহরণ। বিশেষ করে ছেলে বাচ্চাদের জন্য এই ধরণের শারীরিক খেলাধুলা খুবই জরুরি। শুধু শক্তি বর্ধন বা শরীর গঠনের জন্য নয়, বরং ওদের ভেতর যেন পুরুষালি স্বভাব গড়ে ওঠে, সাইকোলজিকালি ওরা একজন পুরুষের মতো ভাবতে শেখে, চলতে শেখে সেজন্যেও এসব জরুরি৷ এবং এভাবে খেলতে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ না হলে, একটু ব্যথা পেলেও ভালো, যেহেতু এভাবে ওরা শক্ত হতে শিখবে।
বাবার থেকে একটা বাচ্চা এমন অনেক কিছুই শেখে, যা মা হিসেবে শেখানো সম্ভব না। কারণ একই মানুষের পক্ষে একই ঘটনায় দুই রকম আচরণ মানায় না। বাবা এবং মা সহজেই দুটো আলাদা ভূমিকা পালন করতে পারে। ধরুন -- বাচ্চারা কাঁদলে আমি বলি, আব্বা ব্যথা পেয়েছ? কোথায় ব্যথা? আর ওদের বাবা ওদেরকে বলে, আরে ব্যাটা কিছু হয় নাই। পড়ে গেলে বলে, উঠে যা। এই ধরণের অ্যাটিচিউড দেখানোও গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে ওরা ওদের ব্যথাকে উপেক্ষা করা শিখবে, মানসিকভাবে শক্ত হবে। আবার মায়ের থেকে হয়তো ওরা এমপ্যাথি শিখবে, একজন আরেকজনকে কীভাবে মায়াদয়া দেখাতে হয়, সেটা শিখবে।
যারা বাচ্চাকাচ্চা হয়ে যাবার পরেও ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে ডিভোর্সের চিন্তা করেন, তাদের এই বিষয়টা মাথায় রাখা উচিত। আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ভাবা দরকার কোনটা সন্তানদের জন্য উপকারি। একজন মা যতই "সুপার উইম্যান" হোক না কেন, সে কখনোই বাবার ভূমিকা ও শূন্যস্থান পূরণ করতে পারবে না এবং ভাইস ভার্সা। অনেক নারীরাই সঙ্গত কারণে তালাক বা খুলা নেয়ার পরেও বাবার সাথে সন্তানকে দেখা করতে দেয় না, কিংবা দাদাবাড়ির মানুষের সাথে মিশতে দেয় না। এতে করে সন্তানেরই ক্ষতি। নিজেদের ক্ষণিকের ক্রোধ এবং আবেগের বশে বাচ্চাদের ভবিষ্যৎটাই নষ্ট করা হচ্ছে।
অনেক কিছুই আছে যেগুলো চোখে দেখা যায় না, হিসাব করে মাপা যায় না, কিন্তু অদৃশ্যভাবে সেগুলো আমাদের জীবনে প্রভাব বিস্তার করে। বাবার সাথে সন্তানদের সম্পর্কটাও এমন। এই সম্পর্ককে অন্তত নিজ হাতে ভেঙে ফেলা কোনোভাবেই বুদ্ধির কাজ হতে পারে না। এবং এখন হয়তো আপনি ভাবছেন, আপনি সন্তানকে এক্স-হাজবেন্ডের থেকে দূরে রেখে খুব জিতে যাচ্ছেন, কিন্তু ভবিষ্যতে এটাই হয়তো আপনার আফসোসের কারণ হবে। হতে পারে, এই সন্তানই যখন ভালো-খারাপ নিজের মতো বুঝতে শিখবে তখন আপনি তাকে তার জন্মদাতার সাথে মিশতে দেন নি বলে আপনাকে দায়ী করবে। হতে পারে, নিজের বাবা থাকা সত্ত্বেও তার সাথে মেলামেশা করতে না পারার কারণে আপনার সন্তান একজন দুর্বল মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে। আল্লাহ তা'আলার শরীয়াহর অবাধ্য হয়ে সত্যি ভালো কিছু আশা করা যায় না।
কাজেই মায়েরা সন্তানদেরকে বাবার সাথে মিশতে দিন, এমনকি স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়ে গেলেও। বাবা এবং বাবার পরিবারের সাথে বাচ্চাদের মেলামেশা তার নিজের জন্ম ও শেকড়ের ব্যাপারে ধারণাকে মজবুত করে। আর বাবারা ফোন, বন্ধুবান্ধবের সাথে আড্ডা এবং ক্যারিয়ার ভাবনা কিছুটা কমিয়ে হলেও সন্তানদেরকে সময় দিন। আমরা যেন হই আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রোলমডেল ইনশাআল্লাহ।
লেখাঃ আহালিয়া জীম তানভীর
@ParentingWithIslam
হোমস্কুলিয়েংয়ের প্রাথমিক ব্যবস্থা ও সন্তানসন্ততির বুনিয়াদি পড়াশোনা কীভাবে করাতে হয়?
আমিসহ আমার বাকী দুইভাই হিফজ করেছি আমার বাবার সদিচ্ছা, প্রচেষ্টা ও আমার মায়ের পরিপূর্ণ নেগরানিতে। আমাদের প্রাথমিক দ্বীনি শিক্ষাও ঠিক একইভাবে হয়েছে। আমাদের কেউই কায়দা, নাজেরা কোনো হিফজখানায় অথবা আলাদা শিক্ষকের কাছে পড়িনি। আমাদের মুখে কথা ফোটার পরপরই কায়দা, দুআ-দরূদ মা পড়িয়ে ফেলেছেন। আমার সাত বছর বয়সেই মা আমাকে দশটাকা পুরষ্কারের লোভ দেখিয়ে সুরা ইয়াসিন দুইদিনে মুখস্থ করিয়েছিলেন। আমার মায়ের সাতবছর বয়সে আমার নানুও আমার মাকে দশটাকার লোভ দেখিয়ে আল্লাহর নিরানব্বই নাম মুখস্থ করিয়েছিলেন। মুখস্থ হবার পর নানু নাকি বলছিলেন, দশটাকা দিয়ে কি এই ঋণ শোধ করা যায়! আর টাকা দেননি। অবশ্য আমাকে আমার মা দশটাকা দিয়েছিলেন মনে আছে। এরপর আট-নয় বছর বয়সের মাঝে বাকী সব ফযীলতের সূরা মুখস্থ হয়ে যায়। এই মুখস্থের জন্য আলাদা করে পড়তে হয়নি। বাবা তখন মাগরিবের পর প্রতিদিন বাসায় এসে সবাইকে বসিয়ে বড় আওয়াজে ওয়াকিয়া, মুলক, সিজদাহ, রহমান পড়তেন। শুনতে শুনতেই মুখস্থ হয়ে যায়। প্যারেন্টিংয়ের এই আইডিয়া আমার বাবা কোথাও থেকে শিখেননি। কিন্তু কি অসাধারণ কৌশলে সব মেইন্টেইন করলেন!
মায়ের কাছেই আমি আঠারো পারা নাজেরা পড়ে বাবার কাছেই দশবছর বয়সে হিফজ শুরু করেছিলাম। বাবার কাছে বাইশ পারা হিফজ করেছি। বাকী আটপারা এক উস্তাদের কাছে। সাতমাসে হিফজ শেষ হয় আমার। চারমাস দাওর মিলিয়ে মোট এগারোমাস। প্রতি দশপারার পরপর এক বসায় দশপারা করে করে দুইবার বাবাকে শুনিয়েছি। বাবাও প্রতি দশপারা শেষ করার পরপর একশ টাকা পুরষ্কার দিতেন। আমার উৎসাহ বৃদ্ধির জন্য তাবলীগে আসা কোনো আরব মেহমান নিয়ে আসতেন বাসায়। আমি তাদের সামনে পরীক্ষা দিতাম। আরো আগে ক্লাস টু তে পড়ার সময় আমাকে একটা আরবী বক্তৃতা মুখস্থ করিয়ে বক্তৃতা দেয়ার জন্য একটা অনুষ্ঠানে নিয়ে গিয়েছিলেন। মাইক নীচু করে দিয়ে একটা টুলের উপর দাঁড়িয়ে পিচ্চি আমি বক্তৃতা দিয়েছিলাম।
আমার হিফজের সুবিধার জন্য আমার বাবার মাদরাসা এবং বাসা এক জায়গায় করে ফেলা হয়। যেন পড়াশোনার সার্বক্ষনিক খেয়ালের পাশাপাশি অন্যান্য যত্নেরও কমতি না হয়। আমার বাবা চট্টগ্রাম তাবলীগের শূরা সদস্য। তাবলীগের কাজসহ আরো সব মিলিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ততার মাঝেও আমার পড়া দৈনিক শুনতেন। ক্লাস ফোর পড়ে হিফজ শুরু করেছিলাম। হিফজের সময় কিন্তু স্কুলের পড়াও বন্ধ ছিলো না। ফাইভেও পড়তাম। আমার মা সংসারের যাবতীয় কাজ নিখুঁতভাবে আঞ্জাম দেয়ার পাশাপাশি পড়াশোনা নিয়ে যথেষ্ট কনসার্ন ছিলেন। মা বাবা দুজনের কেউই, বিশেষ করে মা কখনোই শিক্ষকের হাতে ছেড়ে দিয়ে নির্লিপ্ত থাকেননি। আমাদের চারভাইবোনের পড়াশোনার পেছনে যথেষ্টর চেয়েও বেশি অর্থ ও সময় দুটোই ব্যয় করেছেন।
আমার পড়াশোনার ইতিহাস লম্বা। সেদিকে যাচ্ছি না। হিফজের কথাটাই শুধু বললাম এই কারণে যে, অনেকেই মনে করেন, নিজের সন্তানসন্ততিকে নিজে পড়াতে অনেক শিক্ষিত হতে হয় কিংবা বহুমুখী পড়াশোনা করতে হয়। অনেক আলিম ও মাদরাসা পড়ুয়ারাও তা মনে করেন। আসলে ব্যাপারটা তেমন নয়। বুনিয়াদী শিক্ষা ছেলেমেয়েকে দিতে অনেক বেশি শিক্ষিত কিংবা বহুমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া খুব বেশি জরুরী না। বরং সন্তানকে শিক্ষা দেয়ার জন্য দ্বীনি প্রাথমিক শিক্ষায় যথার্থ ও বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশলী হওয়াই যথেষ্ট। ঘরের আবহ ঠিক রাখাই যথেষ্ট। এনভায়রনমেন্ট আপনার সন্তানকে সঠিক পথে চালিয়ে নেবে। আপনাকে আলাদা করে অনেক কসরত করতে হবে না। যেটুকু করতে হবে তা হলো, সন্তানের পাঠদানের পেছনে বাবা ও মা দুজনেরই দৈনিক অন্তত চার-পাঁচঘন্টা সময় দেয়া। প্রতিষ্টানে পড়তে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে গা ছাড়া হয়ে না যাওয়া। এবার আপনি ঠিক করুন এই চার-পাঁচঘন্টা আপনি কীভাবে ফ্রুটফুল করবেন সেটা।
একটা প্রাথমিক ধারণা দিলাম। বাকীটুকুও ধীরে ধীরে বলব...
লেখাঃ আম্মারুল হক হাফিঃ
~ @TasawwufOfficial
মুভি রিভিউ, মুভি নিউজ আপডেট চ্যানেল।
Last updated 1 year, 11 months ago
Journalist Sorwar Alam's official Telegram channel.
YouTube.com/SorwarAlam
fb.com/BanglaSAT
twitter.com/Sorwar_Alam
Last updated 2 months, 1 week ago
ডেইলি চাকরীর খবর, সিলেবাস, বিগত প্রশ্ন:
www.gktodaybengali.in
Last updated 3 weeks, 1 day ago