চিন্তার পরিশুদ্ধি

Description
We recommend to visit

নভেম্বর থেকে ৪৯৳,৫৯৳,Mystery Box লিংক এবং ৯৳, ১১৳, ১২ টাকার ডিলস,প্রমো কোড শেয়ার করা হয়। সাথে থাকুন ধন্যবাদ 🖤।
Facebook group- https://facebook.com/groups/darazmysterybox/

WhatsApp Channel- https://whatsapp.com/channel/0029VaHD7w14NVib9KcTb404

Last updated 1 year, 6 months ago

কুরুলুস ওসমান বাংলা সাবটাইটেল

assalamu alaykum... বর্তমানে মুসলমানরা অবহেলিত, নির্জাতিত। আমরা নির্জাতিত মুসলমানদের খবরগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ। OUR AL AQSA.
Bangla: https://t.me/OureAlAqsa

English : http://t.me/OureAlAqsaE

https://www.facebook.com/Aqsaamader

Last updated 1 year, 6 months ago

1 year, 11 months ago

আত্মহত্যা করতে চাওয়া কত মানুষকে 'ওয়ালাল আখিরতু খইরুল লাকা মিনাল উলা' - এই আয়াতটি প্রতিদিন জীবনের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে আসে তার ইয়ত্তা নেই। কোন মৃত্যুমুখী মানুষকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার এই জীবনসঞ্জীবনী 'ওয়ালাল আখিরতু খইরুল লাকা মিনাল উলা' শোনালে সে কি কোনদিনও সেই ভয়ংকর গুনাহর পথে পা বাড়াবে? যতই depression থাক, যতই দুনিয়ার প্রতি অভিমানের পাহাড় জমুক, যতই প্রিয়জনের সাথে বিচ্ছেদ ঘটুক 'ওয়ালাল আখিরতু খইরুল লাকা মিনাল উলা' - এই আয়াত তার কানের কাছে বারবার স্মরণ করালে, এই আয়াতের তাৎপর্য তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করালে সে জীবনের কাছে ফিরে আসতে বাধ্য। সমস্ত depressed, frustrated, suicidal, insomnia/sleeplessness অসুখের এক এবং একমাত্র spiritual antidote হল - ওয়ালাল আখিরতু খইরুল লাকা মিনাল উলা - নিশ্চয়ই আপনার জন্য ইহকাল অপেক্ষা পরকাল শ্রেয়।

~সংগৃহীত

#Fussilat
#chintarporishuddi

1 year, 11 months ago

এই পোস্ট যেসব মুসলিম ভাইবোনদের কাছে পৌঁছাবে, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি।

আমি জানি আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা–

  1. জীবনে প্রচুর সিনেমা দেখেছেন। মুভি সিরিজ, টিভি সিরিজ দেখেছেন অসংখ্য!

  2. প্রচুর গল্প-উপন্যাস পড়েছেন। শরৎ, সুনীল, হুমায়ুন গোগ্রাসে গিলেছেন।

  3. ক্লাব ফুটবল সিজনের পর সিজন রাত জেগে দেখেন। প্লেয়ারদের খুঁটিনাটি তথ্য রাখেন।

  4. প্রচুর গান শুনেছেন, লিরিক্স মুখস্ত করেছেন।

  5. প্রচুর একাডেমিক পড়াশোনা করেছেন, পরিশ্রম করে সিজিপিএ তুলেছেন।

আপনাদেরকে বলছি।

–রাসূল (সা.) এর জীবনী নিয়ে কোনো বই পড়েছেন?
–ইসলামের আকীদা নিয়ে কোনো বই পড়েছেন?
–কুরআনের তাফসীর কখনো খুলে দেখেছেন?
–ইসলামের ইতিহাস জানেন?
–আখিরাতকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন?

এই প্রশ্নগুলো হিউমিলিয়েট করার জন্য না। একটা রিমাইন্ডার দিচ্ছি। আল্লাহর ওয়াস্তে একটু ভাবেন। কোন কাজে সময় দেয়া দরকার, একটু ভাবেন। সময় থাকতে ভাবেন। একটা বই পড়েন, একটু লেকচার শোনেন, সামনের ওয়াক্তের সালাতটা পড়েন। একটু সিরিয়াসলি নেন দ্বীনকে।

©সংগৃহীত

#Fussilat
#chintarporishuddi

2 years ago

আর যদি অপেক্ষায় থেকে কিয়ামতই চলে আসে, তাহলে তো সবই শেষ। কারণ তখন আর কোনো আমলের সুযোগ থাকবে না। কিয়ামতের দিন তো চূড়ান্ত ফয়সালার দিন। হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামত সর্বাপেক্ষা বিভীষিকাময়, সর্বাধিক তিক্ত।

মোটকথা, নেক আমলে বিলম্ব করা কোন বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কখন কোনো বিপদ এসে আছড়ে পড়ে কে জানে! সবরকমের নেক কাজে তাই এগিয়ে যেতে হবে দ্রুততার সঙ্গে, একে অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। যখন যতটুকু সম্ভব নেক কাজ করে নিতে হবে। আজকের সুযোগ আজকেই কাজে লাগাতে হবে। আগামীকালের অপেক্ষায় থেকে এ সুযোগ নষ্ট করা যাবে না। হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النّاسِ الصِّحّةُ وَالْفَرَاغ.

দুটি নিআমত এমন, যাতে অনেক মানুষই ধোঁকায় পড়ে আছে-সুস্থতা ও অবসর। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৪১২

অর্থাৎ এ নিআমত দুটি যখন তাদের অর্জিত হয়, তখন তারা ভাবে, এগুলো তো সবসময়ই থাকবে। আর এ ভাবনাই তাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রাখে। তাই আজকের সুযোগকে, সুস্থতা ও অবসরকে আল্লাহ তাআলার নিআমত মনে করে কাজে লাগাতে হবে। আজকের কাজ আজকেই করতে হবে। ভবিষ্যত অনুশোচনা থেকে মুক্তির পথ এই একটাই।

#Fussilat

2 years ago

وَ سَارِعُوْۤا اِلٰی مَغْفِرَةٍ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَ جَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمٰوٰتُ وَ الْاَرْضُ اُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِیْنَ .

তোমরা তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং এমন জান্নাতের দিকে দ্রুত ধাবিত হও, যার প্রশস্ততা হবে আকাশসমূহ ও জমিনসম। তা মুত্তাকিদের জন্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। -সূরা আলে ইমরান (৩) : ১৩৩

আরেক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন-

فَاسْتَبِقُوْا الْخَیْرٰتِ.

তোমরা কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতা করো। -সূরা বাকারা (২) : ১৪৮

হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন-যখন যে অবস্থাতেই থাক, নেক কাজ করতে থাক। নেক কাজের জন্যে নিজের অবস্থা পরিবর্তনের অপেক্ষায় থাকা মূলত শয়তানের ধোঁকা। এ অপেক্ষায় যারা থাকে, নেক কাজের সুযোগ তাদের আর হয়ে ওঠে না।

উপরোক্ত হাদীসে বর্ণিত দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে-এমন সচ্ছলতা, যা একজন মানুষকে দাম্ভিক ও অহংকারী করে তোলে এবং আল্লাহ্র হুকুম-আহকাম ভুলিয়ে দেয়। অনেককে বলতে শোনা যায়-আরও কিছু টাকাপয়সা কামিয়ে নিই, এরপর সবকিছু ছেড়ে দেব! অথবা ‘ঢাকায় মাথা গুঁজার মতো একটি বাড়ি করতে পারলেই আমার আর কোনো চিন্তা নেই। তখন কেবলই আল্লাহকে ডাকব!’ আসলে এমনটা যারা ভাবেন, তারা মানুষের একটি স্বভাবজাত চাহিদার কথা ভুলে যান। হাদীস শরীফে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

لَوْ كَانَ لاِبْنِ آدَمَ وَادِيَانِ مِنْ مَالٍ لاَبْتَغَى ثَالِثًا، وَلاَ يَمْلأُ جَوْفَ ابْنِ آدَمَ إِلاّ التّرَابُ.

আদমসন্তানের যদি দুই উপত্যকা ভর্তি সম্পদ থাকে, তাহলে সে তৃতীয় আরেকটি তালাশ করবে। আদমসন্তানের পেট তো (কবরের) মাটি ছাড়া আর কিছুই ভরিয়ে দিতে পারবে না! -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৪৩৬

তাই অঢেল টাকাপয়সা উপার্জন করার পর আল্লাহ তাআলার বন্দেগিতে মনোনিবেশ করার যে প্রতীক্ষা, তা কেবলই শয়তানের ধোঁকা। অল্প সম্পদ হাতে নিয়ে যে আল্লাহকে ডাকতে পারে না, সম্পদ বেশি হলে তার ইবাদত করার সুযোগ কোথায়? তখন তো বরং সম্পদের নেশা বেড়ে যাবে আরও বহুগুণে। তাই কমবেশি সম্পদ এখন যাই আছে, তা নিয়েই ইবাদতে মনোনিবেশ কর, দানসদকা করতে থাক। এর পাশাপাশি যদি কেউ সম্পদ বৃদ্ধির জন্যে চেষ্টা করে যায়, তাহলে তা নিন্দিতও নয়।

হাদীসে বর্ণিত শয়তানের পরবর্তী ধোঁকা- সুস্থতা। মানুষ ভাবে, এখন তো সুস্থই আছি। যে কোনো সময় চাইলেই যে কোনো ইবাদত করতে পারি। হাত সচল, তা দিয়ে যা ইচ্ছা ধরতে পারি। পা সচল, তা দিয়ে যেখানে ইচ্ছা যেতে পারি। তাই মন চাইলেই যে কোনো ইবাদত যে কোনো মুহূর্তে করে নিতে পারব। তাড়াহুড়োর কিছুই নেই। কিন্তু এ সুস্থতার নিশ্চয়তা দেবে কে? আগামীকাল সে অসুস্থ হয়ে পড়বে না, এর কি গ্যারান্টি আছে? অপেক্ষা কি তাহলে এ অসুস্থতার, যা শরীর নষ্ট করে দেবে, যাবতীয় শক্তি শেষ করে দেবে? এ অপেক্ষা তো তাহলে নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ রোগব্যাধিতে শিকার হলে তখন আর ইবাদতের সুযোগ থাকবে না।

অনেকে তো বলে কয়েই বার্ধক্যের অপেক্ষা করে। তাদের ভাবনা-ইবাদত-বন্দেগি তো বুড়ো বয়সের কাজ। যৌবনের স্বাদ ভোগ করে নিই। এরপর আল্লাহকে ডাকা যাবে। অনেকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যৌবনে হজ¦ করে না, পাছে আবার হজে¦র পর গোনাহ হয়ে যায় কি না। তাই হজ¦ করার জন্যে তারা বার্ধক্যকেই বেছে নেয়, যেন তখন একনাগাড়ে কেবল আল্লাহ্র ইবাদত করা যায়। তাদের দৃষ্টিতে, যারা যৌবনে আল্লাহ্র ইবাদত করে, তারা একপ্রকারের বোকা। কারণ যৌবনের কোনো স্বাদই তারা ভোগ করতে পারে না। তারুণ্যের উচ্ছলতায় নিজেকে ভাসিয়ে দেয়াই তাদের দৃষ্টিতে বুদ্ধিমানের কাজ। অথচ হাদীস শরীফে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ তাআলার আরশের ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না,
أَ فِي عِبَادَةِ رَبِّهِ.

অর্থাৎ এমন যুবক, যে তার প্রভুর ইবাদতে বেড়ে উঠেছে। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৬০

প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের প্রতি যাদের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে, তাদেরকে তাই স্বীকার করতেই হবে, উদোম তারুণ্যে গা ভাসিয়ে দেয়ায় নয়, বরং আল্লাহ তাআলার ইবাদতে যৌবনের সময়টুকু কাটানোই প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ। ইবাদতের যে স্বাদ ও তৃপ্তি যৌবনে পাওয়া যায়, বুড়ো বয়সে কি তা পাওয়া যাবে! তাই বার্ধক্যের অপেক্ষা নয়, যৌবন থেকেই ইবাদত করতে শুরু করুন।

আর অপেক্ষায় অপেক্ষায় যদি মৃত্যুই এসে পড়ে, তাহলে তো আফসোসের কোনো সীমাই থাকবে না। সেই আফসোসও হবে এমন, যা থেকে উঠে আসার কোনো সুযোগও থাকবে না। কে জানে, মৃত্যু কাকে কখন আঘাত করে বসে?

আজকে যারা অপেক্ষায় অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে, কাল তাদের সামনে উপস্থিত হতে পারে দাজ্জালের ফেতনা। এই হাদীসেরই ভাষ্যমতে, এখনো অনুপস্থিত এমন যা কিছুর অপেক্ষা করা হচ্ছে, দাজ্জাল হচ্ছে সেসবের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। সেই দাজ্জাল যখন এসে পড়বে, তখন তো আর ইবাদতের কোনো সুযোগ থাকবে না। সেই দাজ্জালের ফেতনা হবে সর্বগ্রাসী। হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও দাজ্জালের ফেতনা থেকে আল্লাহ তাআলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

2 years ago

মাসিক আল কাউসার
বর্ষ: ১৪, সংখ্যা: ০৬
শাওয়াল ১৪৩৯ || জুলাই ২০১৮
নেক কাজে বিলম্ব নয়
মাওলানা শিব্বীর আহমদ

মানুষের এ ক্ষণস্থায়ী জীবনে মানুষ কত কিছুরই তো নিশ্চয়তা দেয়। তিন মাস ছয় মাস থেকে শুরু করে পাঁচ-দশ-বিশ বছরের সেবার নিশ্চয়তাও দেয়া হয় বিভিন্ন পণ্যে। মানুষের জীবনযাত্রা যত উন্নত হচ্ছে, এ নিশ্চয়তার পরিমাণও তত বাড়ছে। কিন্তু মানুষ কি কখনো জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পেরেছে? এমনকি জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছে? সূর্যের আলোর মতোই স্পষ্ট কথা হল-মানুষের জীবন ও মৃত্যু নিয়ে কেউ কখনোই কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। কে কতদিন বেঁচে থাকবে-এটা যেমন কখনো কারও পক্ষে বলে দেয়া সম্ভব হয়নি, তেমনি গুরুতর অসুস্থ কাউকে দেখে সে কখন এ দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে-এটাও সুনিশ্চিত করে বলতে পারেনি কেউ। যা কিছু বলা হয় সবটাই অনুমাননির্ভর। এ অনুমান কখনো টেকে, কখনো টেকে না। আর কথা কি, জীবনযাত্রা ও বিজ্ঞানের উন্নতির পথ ধরে মানুষের নিজের তৈরি পণ্যে নিশ্চয়তা প্রদান যেভাবে বাড়ছে, মানুষের নিজের জীবন যেন ততটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। আকস্মিক মৃত্যু কত রূপ নিয়ে এখন আমাদের সামনে হাজির হয়! অবশেষে কথা তো একটাই-

اِذَا جَآءَ اَجَلُهُمْ فَلَا یَسْتَاْخِرُوْنَ سَاعَةً وَّ لَا یَسْتَقْدِمُوْنَ .

যখন তাদের নির্ধারিত (মৃত্যুর) সময় উপস্থিত হয় তখন তারা আর এক মুহূর্তও বিলম্ব করতে পারে না এবং এর চেয়ে একটু এগিয়েও আসতে পারে না। -সূরা ইউনুস (১০) : ৪৯

এ তো গেল জীবন-মৃত্যুর কথা। কিন্তু এ জীবনের শেষ পর্যন্তও যে সুখে-সাচ্ছন্দে কাটবে,আরাম-আয়েশে কাটবে-এরই বা নিশ্চয়তা কোথায়! ‘নদীর এপার ভাঙে ওপার গড়ে এই তো নদীর খেলা / সকালবেলার ধনী রে তুই ফকির সন্ধ্যাবেলা’-এ তো রূপকথার কোনো গল্প নয়, বরং আমাদের চারপাশে ঘটতে থাকা বাস্তবতা। সামান্য সময়ের ব্যবধানে সারাজীবনের উপার্জন হারিয়ে সহায়-সম্বল অর্থবিত্ত সব হারিয়ে কতজন নিঃস্ব হয়ে যায়! চোখের পলকে আকস্মিক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে যারা হাত-পা হারিয়েছে, কিংবা শরীরের অন্য কোনো অঙ্গ আহত হয়েছে, তাদের অবস্থাও তো একই রকম। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এমন বিপদ থেকে হেফাজত করুন!

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

بَادِرُوا بِالأَعْمَالِ سَبْعًا هَلْ تنْظرُونَ إِلاّ إِلَى فَقْرٍ مُنْسٍ، أَوْ غِنًى مُطْغٍ، أَوْ مَرَضٍ مُفْسِدٍ، أَوْ هَرَمٍ مُفَنِّدٍ، أَوْ مَوْتٍ مُجْهِزٍ، أَوِ الدّجّالِ فَشَرّ غَائِبٍ يُنْتَظَرُ، أَوِ السّاعَةِ فَالسّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرّ.

সাতটি বিষয়ের পূর্বে তোমরা দ্রুত নেক আমল করো। তোমরা কি এমন দারিদ্র্যের অপেক্ষা করছ, যা তোমাদেরকে সবকিছু ভুলিয়ে দেবে? না ওই ঐশ্বর্যের, যা তোমাদেরকে দর্পিত বানিয়ে ছাড়বে? নাকি এমন রোগের, যার আঘাতে তোমরা জরাজীর্ণ হয়ে পড়বে? না সেই বার্ধক্যের, যা তোমাদেরকে অথর্ব করে ছাড়বে? নাকি মৃত্যুর, যা আকস্মিক এসে পড়বে? নাকি দাজ্জালের, অনুপস্থিত যা কিছুর জন্যে অপেক্ষা করা হচ্ছে, সে হচ্ছে সেসবের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট? না কিয়ামতের অপেক্ষা করছ, যে কিয়ামত কিনা সর্বাপেক্ষা বিভীষিকাময় ও সর্বাপেক্ষা তিক্ত? -জামে তিরমিযী, হাদীস ২৩০৬

এই হাদীসে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে উপরোক্ত বাস্তবতাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন। মানুষ যে কোনো মুহূর্তে চরম সংকটের মুখে পড়তে পারে, কিংবা ঐশ্বর্যের ধাক্কায় সে অহংকারী ও অবাধ্য হয়ে পড়তে পারে, তার সুস্থ দেহটি যে কোনো সময়ই অসুস্থতায় আক্রান্ত হতে পারে, বার্ধক্যের আঘাতে হারিয়ে যেতে পারে যৌবনের শক্তি-সামর্থ্য, অকস্মাৎ থাবা বিস্তার করতে পারে মৃত্যু, নেমে আসতে পারে দাজ্জালের ফেতনা কিংবা কিয়ামত। তাই নেক কাজের জন্যে কোনো অপেক্ষা নয়। হাদীসের শিক্ষা হচ্ছে-যখন তুমি যে অবস্থাতেই থাক, সাধ্যমতো নেক কাজ করতে থাক। অবস্থা পরিবর্তনের অপেক্ষায় থেকে সময় পার করে দিয়ো না। আজ যে সচ্ছল, পকেটভর্তি যার টাকাপয়সা, সে ভাবতে পারে-হাতে তো টাকা আছেই, যে কোনো সময় চাইলেই তো দানসদকা করা যাবে, অকাতরে বিলিয়ে দেয়া যাবে অর্থকড়ি। এখন তাড়াহুড়োর কী আছে? কিন্তু এ নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে কোথায়-আজ হাতে যে অর্থসম্পদ রয়েছে, তা চিরদিনই থেকে যাবে? এ নিশ্চয়তা দেয়া তো কোনো মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়। তাহলে হাতে টাকাপয়সা থাকার পরও, দানসদকা করার মতো পর্যাপ্ত সুযোগ থাকার পরও আগামীকালের অপেক্ষায় আজকের দিনটি পার করে দেয়া কি দরিদ্রতা ও সংকটের মুখে পড়ার অপেক্ষা নয়? সে সংকটের আঘাতের তীব্রতায় হয়তো তুমি আল্লাহ্র কথাই ভুলে যাবে? দানের প্রশ্ন তো তখন বলাই বাহুল্য। তখন আক্ষেপ আর অনুশোচনা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা থাকবে না। এ আক্ষেপ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আজকের দান আজকেই করতে হবে। আজকের নেক আমল আজকেই করতে হবে। আগামীকালের অপেক্ষায় রেখে দেয়া যাবে না কিছুই। পবিত্র কুরআনে কারীমে আল্লাহ তায়ালার ইরশাদ :

2 years ago

জেনারেল লাইনের আমার প্রিয় ছাত্রভাইদের উদ্দেশ্যে।
_
দ্বীনের ক্ষেত্রে একদম জরুরী বিষয় শেখা থেকে শুরু করো। নিজেকে আমলের পাবন্দ বানাও। ধীর স্থির হও। বুঝেশুনে চলো।
চলমান ইস্যুর পেছনে পড়ো না। ওলামাদের মাঝে কোন ইখতিলাফ হলে চটজলদি কোন পক্ষ নিয়ে বসো না। ওলামাদের পোস্টে হাহা দেয়া শুরু করো না।
বেশি আবেগ ও জজবা দেখাতে যেও না।
চোখ কান খোলা থাক, মুখ ও কলম বন্ধ রাখো। দ্বীনের ক্ষেত্রে নিজের মিসকীনি হালকে সামনে রেখো।
ওলামাদের আপত গলদ কোন বিষয় সামনে এসে গেলেও এখনই ট্রল করা শুরু করো না। নিজের শত দ্বীনি দূর্বলতার খবর লও।
কোন বিষয় বুঝে না আসলে বিজ্ঞ ওলামাদের শরণাপন্ন হও।
ইলম নিতে সতর্কতা অবলম্বন করো।
দ্বীনি বিষয়ে নিজের কোন আস্থার জায়গা তৈরি করো। অন্যের দেখাদেখি বা স্রোত ও ফলোয়ার দেখে নয়। অনুসরণীয় আলিম চেনার ক্ষেত্রে দীর্ঘ একাডেমিক পড়াশুনা, বেশি পরিমাণ উস্তাদের দীর্ঘ সাহচর্য, মেধা ও তাকওয়ার খবর নাও। তাঁর ব্যাপারে সমকালীন বিজ্ঞ ওলামাগনের আস্থা আছে কিনা দেখো, তাঁর সাধারণ আম ফলোয়ার কি কি প্রশংসা করে বেড়ায় তা দেখো না।
অফলাইনে বিজ্ঞ ওলামা ও আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্য গ্রহন করো।
গুনাহ ছেড়ে দাও।
নিজের পড়াশুনায় সর্বোচ্চ মনোযোগ দাও।
নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সচেষ্ট হও।
নিজেকে যোগ্য বানাও।
দোয়া ও রোনাজারি চালিয়ে দাও।
আল্লাহপাকের দরবারে হেদায়াতের ভিখারী হও।
আল্লাহপাক আমাকেও তাওফীক দিন।

-উস্তাদ মাসী উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ
#chintarporishuddi
#Fussilat

2 years ago

মানুষের চাকরি করতে ভালো লাগে না। কারণ এটা দাসত্ব। তার স্বাধীনতা চাই। স্বাধীন হওয়ার জন্য এরপর সে ব্যবসা শুরু করে। এরপর রাত-দিন, শয়নে- স্বপনে, চিন্তায়, হাঁটতে-বসতে, খাইতে-হাগতে-- ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই নাই।

এটি মূলত একটি দাসত্ব ছেড়ে আরেকটি দাসত্বে পদার্পণ। সবচেয়ে বড় দাসত্ব হলো অন্তরের দাসত্ব। অন্তর যদি দাসত্বের শেকলে আটকে থাকে, শুধু পথ পরিবর্তন করে মুক্তি মিলবে না।

দাসত্ব থেকে সত্যিকারের মুক্তি লাভের উপায় হলো,

"আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য বেরোবার পথ করে দেবেন। আর তাকে রিযিক দান করবেন কল্পনাতীত উৎস থেকে।” (সূরাহ তালাক,৬৫:২-৩)

"“আর হে আমার কওম! তোমাদের পালনকর্তার কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর; তিনি আসমান থেকে তোমাদের উপর বৃষ্টি ধারা প্রেরণ করবেন এবং তোমাদের শক্তির উপর শক্তি বৃদ্ধি করবেন, তোমরা কিন্তু অপরাধীদের মত বিমুখ হয়ো না।” (সূরাহ হুদ, ১১:৫২)

“যদি কৃতজ্ঞ হও, তাহলে বাড়িয়ে দেবো।” (সূরাহ ইবরাহীম, ১৪:৭)

“তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথ তাওয়াক্কুল করতে, তাহলে তিনি তোমাদেরকে সেভাবে রিযিক দিতেন, যেভাবে পাখীদের দেন। ওরা সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় (বাসা থেকে) বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে ফিরে আসে।” (তিরমিযি: ২৩৪৪, ইবনে মাজাহ: ৪১৬৪)

“যে অভাবগ্রস্ত হয় এবং তার অভাব লোকদের কাছে প্রকাশ করে, তার অভাব দূর করা হয় না। আর যে ব্যক্তি তা আল্লাহর নিকট পেশ করে, আল্লাহ তাকে দ্রুত অথবা বিলম্বে (হলেও) রিযিক প্রদান করেন।” (আবু দাউদ: ১৬৪৭, তিরমিযি: ২৩২৬)

~সংগৃহীত

#Fussilat
#chintarporishuddhi

2 years, 1 month ago

.
আকাশের নিচে নতুন কিছু নেই। যুদ্ধ, আন্দোলন, রাজনীতি, শাসন – এগুলোর মূলনীতি এবং কৌশল যুগে যুগে বদলায় না। স্রেফ অ্যাপ্লিকেশনের ধরণে মডিফিকেশন আসে। এজন্যই আজো মানুষ সান যু, চাণক্য, ইবনু খালদুন, ম্যাকিয়াভেলি, থেকে শুরু করে ক্লসউইতয, নেপোলিয়ন, খাত্তাবী, লেনিন কিংবা মাও-য়ের টেকনিকাল লেখাগুলোর কাছে ফিরে যায়।
.
এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো এড়িয়ে গিয়ে শুধু প্রজন্ম বন্দনা করে, আপনি জেন-যির চোখে হয়তো হিরো হতে পারবেন, বা একটা পরিপাটি ব্যাখ্যা নিজেকে দিতে পারবেন, কিন্তু মানযিলের দিকে এগোতে পারবেন না।
বরং এভাবে যারা জেন-যি না, তাদের নিস্ক্রিয়তার একটা ক্ষেত্র তৈরি হবে।
.
এই আদিখ্যেতা আসলে এক ধরণের দায়মুক্তির মেকানিসম। সব দায়িত্ব জেন-যির ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিজে শুধু মুগ্ধ-কে নিয়ে আবেগী রিপোর্ট আর জেন-যির টোকেন বন্দনা করে ঘরে বসে থাকলে, সেটা ওদের সাথে সবচেয়ে বড় না-ইনসাফী হবে। এটা হবে নেকড়ের পালের সামনে ওদের একা ছেড়ে আসার মতন।
.
প্রজন্মের যেটা ইতিবাচক দিক, যে প্রজন্মের কৃতিত্ব তার প্রশংসা করুন। একই সাথে বাস্তবতাকে বোঝার চেষ্টা করুন, সামনের করণীয় নিয়ে ভাবুন। বিশেষ করে, নিজের করণীয় নিয়ে ভাবুন। বরাবরের মতো দায়সারা ‘সমর্থন দিলাম’ দিয়ে, এবার কাজ হবে না। একটা পুরো জাতির সমস্যার সমাধান, একটা প্রজন্মের ঘাড়ের ওপর দিয়ে হয় না।

~আসিফ আদনান

#Fussilat

2 years, 1 month ago

কিছু অপ্রিয় কথা বলি। জেন যি নিয়ে আদিখ্যেতা লং রানে ইতিবাচক না।
.
ওয়েস্টার্ন অ্যাকাডেমিয়ার একটা বৈশিষ্ট্য হল বিভিন্ন কমপ্লেক্স সোশ্যাল ফেনোমেনাকে ফিযিক্স কিংবা ম্যাথের মতো এক লাইনের সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা। অবধারিতভাবে এই ব্যাখ্যাগুলো রিডাকটিভ এবং ভুল হয়।
.
কারণ বাস্তবতাকে বোঝার বদলে এখানে ফোকাস থাকে বাস্তবতাকে কেটেছেটে মনমতো একটা বক্সের মধ্যে ঢোকানোর। পছন্দমতো কিছু ডেইটা নেয়া হয়, আর যা কিছু সূত্রের সাথে মেলে না বাদ দেয়া হয় তার সবই। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পুরো ব্যাপারটা জেন যি- সংক্রান্ত আলাপ দিয়ে ব্যাখ্যা করাটা এই ধরণের একটা টেন্ডেন্সির ম্যানিফেস্টেশন।
.
এ বিষয়ে যেসব লেখা বেশ ভাইরাল হয়েছে, সেগুলোর অনেক কিছুই বাস্তবতার সাথে মেলে না। অনেক এক্স্যাম্পল দেয়া যাবে, আমি অল্প কয়েটা দেই।
.
এ আন্দোলনে পুরো জাতি ঝাঁকি খেয়েছে আবু সাইদের শাহাদাতের (ইন শা আল্লাহ) পর। আবু সাইদের মধ্যে, তাঁর জীবনের গল্পের মধ্যে আপনি কি নেটফ্লিক্স আর টিকটক স্যাভি জেন-যির বৈশিষ্ট্য পান? নাকি তার মধ্যে গ্রামবাংলার চিরাচরিত মানুষের চেহারা দেখেন?
.
জেন-যি, নাকি ‘আই ডোন্ট গিভ আ ফা’ টাইপ কথাবার্তা বলে। সুন্দর করে গুছিয়ে কথার বদলে, ক্রুডভাবে সোজাসাপ্টা বক্তব্য দেয়। আচ্ছা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের যে বক্তব্যগুলো আছে, লিখিত এবং মৌখিক, সেগুলো কি ‘পুলিশ কোন চ্যার বা*’ টাইপ বক্তব্য?
.
নাকি দশকের পর দশক ধরে এ দেশে এবং বিশ্বে আন্দোলন ও রাজপথের সংগ্রামে যেধরণের কথা ভাষা ব্যবহার করা হয় সেরকম-ই? তাদের কর্মসূচীগুলো কি খুব ইনোভেটিভ? গ্রাউন্ডব্রেকিং কিছু? নাকি সেই পুরনো রাজপথের আন্দোলনের পদ্ধতি?
.
২০১৮ সালে যে কোটা আন্দোলন হয়েছিল, সেই আন্দোলনকারীদের বড় একটা অংশও ছিল জেন-যি। নুরু, রাশেদ, আখতারের মধ্যে আপনি জেন-যির ঐসব লিস্টেড বৈশিষ্ট্য পান? ইভেন নাহিদের মধ্যেও কি পান?
.
এই যে বারবার বলা হচ্ছে ছাত্রজনতা, এই জনতাও কি জেন যি? এই আন্দোলনে ঢাকা শহরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অনেক মানুষ অংশ নিয়েছে। প্রাণ দিয়েছে। তারা কি জেন যি?
.
জেন-যি তো শুধু বাংলাদেশে নেই, পুরো বিশ্বে আছে। অন্যান্য জায়গায় জেন-যি কি সোশিও-পলিটিকাল রৌল প্লে করেছে? যদি না করে থাকে, তাহলে কেন করেনি? পার্থক্য কী ছিল?
.
এরকম আরও অনেক উদাহরণ দেখানো সম্ভব।
.
জেন-যি-কে ক্রেডিট দেয়া নিয়ে আমার সমস্যা না। এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ইউনিটির এবং মধ্যবিত্তের ছাপোষা কনসার্ন সাময়িকভাবে উপেক্ষা করার ক্ষেত্রে চমৎকার একটা নজির স্থাপন করেছে। কেউ ক্রেডিট দিক বা না দিক, তারা অলরেডি ইতিহাসের অংশ।
.
কিন্তু এই পুরো গণঅভ্যুত্থানকে স্রেফ একটা জেনারেশনের কিছু ক্যারেক্টারিস্টিক্স দিয়ে ব্যাখ্যা করা জাতির জন্য ক্ষতিকর হবে। কেন হবে সেটারও অনেক লম্বা ব্যাখ্যা দেয়া যায়। দুটো বলি।
.
প্রথমত, এই রিডাকটিভ ব্যাখ্যা বাস্তবতা মিসরিডিং। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী জাহিলিয়াতের কারণে জনগণের মধ্যে তৈরি হওয়া ক্ষোভ, ২০০৯, ২০১৩, ২০১৮ এর নানা ঘটনার প্রভাব, আরবান মিডল ক্লাসের ওপর ব্রুটালিটি, ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার কারনে সেই ব্রুটালিটির খবর ছড়িয়ে পড়া, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক দুরাবস্থা, রিজিমের উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মকান্ড – এরকম অনেকগুলো ফ্যাক্টর এই বিস্ফোরণের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
.
গতো ৭০-৮০ বছর ধরে আমাদের মতো দেশগুলোতে বিভিন্ন গণআন্দোলন এবং সংগ্রামের ফরওয়ার্ড ফ্রন্ট হিসেবে ছাত্ররাই ভূমিকা রেখেছে। ৫২, ৬৯, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানগুলোতেও ছাত্ররাই সক্রিয় শ্রেনী হিসেবে কাজ করেছে।
.
এটাই স্বাভাবিক। এরা ফাইটিং এইজ পপুলেশন। যুদ্ধ লাগলে সবার আগে এদের কনস্ক্রিপ্ট করা হয়। তুলনামূলকভাবে তাদের পারিবারিক, আর্থিক দায়িত্ব কম। সব ধরণের জমায়েত বন্ধ থাকলেও ছাত্ররা সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হবার সুযোগ পায় – এমন অনেকগুলো বিষয় এখানে কন্ট্রিবিউটিং রৌল প্লে করে।
.
কিন্তু তার মানে এটা না যে এই জনগোষ্ঠী বাকি সমাজ থেকে আলাদা হয়ে কিছু করে। বরং সমাজের মধ্যে থাকা প্রবণতাগুলোই তাদের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়। এতো কিছু থাকতে সরকারী চাকরি নিয়ে এতো বড় গণঅভ্যুত্থান হয়ে যাওয়াটাও এর প্রমান।
.
এই বাস্তবতাগুলো না বুঝলে এই সমাজ, এবং আগামীর রাজনীতি নিয়ে পুরোপুরি ভুল ধারণা নিয়ে আপনাকে আগাতে হবে। অতীত ও বর্তমানের ব্যাপারে ভুল বুঝ আপনাকে ভবিষ্যতে ভোগাবে।
.
দ্বিতীয়ত, এবং মোর ইম্পরট্যান্টলি, শুধু মাত্র ছাত্রদের পক্ষে এই আন্দোলনকে কাংক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। এর অগণিত উদাহরণ ইতিহাসে আছে।
.
এই আন্দোলনকে তার যৌক্তিক উপসংহারের দিকে নিতে হলে নেতৃত্ব লাগবে। জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রয়োজন হবে। লাগবে সঠিক রাজনৈতিক পলিসি। ছাত্ররা এগুলো দিতে পারবে না।

2 years, 2 months ago

আপনি যদি দিনে ৬ ঘণ্টা ঘুমান এবং ৬০ বছরের হায়াত পান, তাহলে আপনার জীবনে আপনি ১৫ বছরই ঘুমিয়ে কাটাবেন!
.
দিনে যদি ১ ঘণ্টা খাবার পেছনে ব্যয় করেন, ৬০ বছরে ২.৫ বছর ব্যয় করবেন শুধুমাত্র খাবার পেছনে।
.
দিনে ৮ ঘণ্টা যদি পড়ালেখা এবং উপার্জনের পেছনে ব্যয় করেন, ৬০ বছরের মধ্যে ২০ বছরই চলে গেলো।
.
আমরা দিনে কয় ঘণ্টা নামাজ, ইবাদতের পেছনে ব্যয় করি? ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হয়তো দেড় ঘণ্টা লাগে। তাহলে ৬০ বছরে মাত্র ৩ বছর ৯ মাস ইবাদতের পেছনে ব্যয় করবেন।
.
আখিরাতের জীবন চিরস্থায়ী। দুনিয়া হলো আখিরাতের প্রস্তুতিক্ষেত্র, শস্যক্ষেত্র। অথচ আমরা দুনিয়াতে অন্য সবকিছুর পেছনে সময় দিলেও আখিরাতের পেছনে কম সময় দিই!
.
তাহলে কীভাবে আমরা দুনিয়াতে এমন এমন কাজ করতে পারি, যার ফলে আখিরাতের জন্য বেশি সময় দিতে পারি?
.
সেটা হল- দুনিয়ার কাজ রাসূল ﷺ –এর সুন্নাত অনুযায়ী করা।
.
আপনি যদি রাসূলুল্লাহর নির্দেশানুযায়ী দুনিয়ায় চলাফেরা, খাওয়া, ঘুম, কাজ যাই করেন না কেনো, সেটার জন্যও সওয়াব পাবেন।
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর সুন্নাতকে যদি আমরা খাওয়ার সময়, ঘুমানোর সময়, পড়ালেখার সময়, বাসে চড়ার সময়, হাঁটার সময়, বসার সময়, ওয়াশরুমে যাবার সময়, কর্মক্ষেত্রে, কথা বলার সময় অর্থাৎ সবসময় যদি মানতে পারি, তাহলে আমরা নিজেদের ২৪ ঘণ্টাকে ইবাদতে পরিণত করতে পারবো, ইন শা আল্লাহ।

©wafilife

#চিন্তার_পরিশুদ্ধি
#Fussilat
#chintar_porishuddhi

We recommend to visit

নভেম্বর থেকে ৪৯৳,৫৯৳,Mystery Box লিংক এবং ৯৳, ১১৳, ১২ টাকার ডিলস,প্রমো কোড শেয়ার করা হয়। সাথে থাকুন ধন্যবাদ 🖤।
Facebook group- https://facebook.com/groups/darazmysterybox/

WhatsApp Channel- https://whatsapp.com/channel/0029VaHD7w14NVib9KcTb404

Last updated 1 year, 6 months ago

কুরুলুস ওসমান বাংলা সাবটাইটেল

assalamu alaykum... বর্তমানে মুসলমানরা অবহেলিত, নির্জাতিত। আমরা নির্জাতিত মুসলমানদের খবরগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ। OUR AL AQSA.
Bangla: https://t.me/OureAlAqsa

English : http://t.me/OureAlAqsaE

https://www.facebook.com/Aqsaamader

Last updated 1 year, 6 months ago